রবিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২১

বাদল বিরহ

 বৃষ্টির শব্দে ঘুম ভেঙে যায় মুক্তার। বিছানা ছেড়ে বারান্দায় যায় সে। সকালবেলার এ রকম বৃষ্টির সময় শুধু শুয়ে থাকতেই ইচ্ছা করে। কিন্তু আকাশের বৃষ্টি দেখে তার মনটা অবসাদে ভরে গেল। সে ঘরে গিয়ে দীপকে জাগাল। বলল, ওঠ। সকাল হয়ে এসেছে। দীপ উঠল ঘুম থেকে। সে বলল, কী ব্যাপার সকাল সকাল মনটা ভার কেন?



কই না তো?

তোমার মুখ দেখেই সব বুঝতে পারি।

নাহ্ কিছু হয়নি।

সকালবেলা এত কথা না বাড়িয়ে দীপ ফ্রেশ হয়ে নিল। মুক্তা সকালের নাশতা তৈরি করে দীপকে খেতে দিল। দীপ অফিসে যাওয়ার আগে স্ত্রীর কাঁধে হাত রেখে বলল, 'কই বললে না তো তোমার মনটা খারাপ কেন?'

জান না আজ ১ আষাঢ়?

ও! দীপের মুখটা কালো হয়ে গেল। সে বড় দীর্ঘশ্বাস ফেলল। স্ত্রীকে সান্ত্বনা দিয়ে বলল, আমি আজ তাড়াতাড়ি ফিরব।

বৃষ্টির মধ্যে ছাতা নিয়ে বেরিয়ে গেল দীপ। সেদিকে তাকিয়ে রইল মুক্তা। তাকে এখন সারা দিন বাসায় একা থাকতে হবে। দুই বছর ধরে তাকে এভাবে একাই থাকতে হয়।

চার বছর আগের কথা। মুক্তা ১ আষাঢ় প্রতিবন্ধী এক কন্যাসন্তানের জন্ম দেয়। মেয়েটির পা থেকে কোমর পর্যন্ত অবশ। মাথা অস্বাভাবিক বড়। অনেক কষ্ট হয়েছিল ওকে জন্ম দিতে। ডাক্তার বলেছিলেন, মা বাঁচলে বাচ্চা বাঁচবে না, বাচ্চা বাঁচলে মা বাঁচবে না। কিন্তু সৃষ্টিকর্তার কৃপায় মা ও মেয়ে দুজনই জীবিত থাকে। শুধু মেয়ে বর্ষা প্রতিবন্ধী হয়। মেয়ের নাম আগেই ঠিক করে রেখেছিল মুক্তা-দীপ দম্পতি।

মা-বাবার একমাত্র সন্তান দীপ। তার মা-বাবা প্রথম নাতনির মুখ দেখল। নাতনির জন্মের আগে বৌমার কত যত্ন-আত্তি। বৌমাও দেখতে রূপবতী। অহংকার নেই। বাড়ির কাজকর্মেও ভালো। কিন্তু শাশুড়ি বৌমার এমন প্রতিবন্ধী মাথা মোটা নাতনি জন্ম দেওয়ায় সন্তুষ্ট না। মুক্তার শ্বশুরও খুশি নন। তাঁরা দুজন ছেলেকে রাজি করাতে চেষ্টা করলেন এ বাচ্চা এতিমখানায় দিয়ে দেওয়ার জন্য। মা-বাবা তাকে বললেন, 'এ বাচ্চা আমাদের বংশের প্রথম প্রদীপ হতে পারে না। ওকে এতিমখানায় এখনই দিয়ে দাও। এই বাচ্চা থাকার চেয়ে না থাকা অনেক ভালো! শুধু শুধু কষ্ট। তোদের কষ্ট আমাদেরও কষ্ট। মানুষের সামনে কিভাবে নিয়ে যাবি এ বাচ্চাকে?' তার বাবা অনেক কথা শোনালেন দীপকে। দীপ এতিমখানায় দিয়ে দিল মেয়েকে। কিন্তু এ কথা শুধু দীপ ও তার মা-বাবা জানে। মুক্তাকে তখনো জানানো হয়নি। তাকে বলা হয়েছে বর্ষা মারা গেছে। এই কথা বলে খুব অভিনয় করেছিলেন মুক্তার শ্বশুর-শাশুড়ি। তাঁরা নাতনির শোকে হাউমাউ করে কেঁদেছিলেন। কান্নাকাটির মাধ্যমে শেষ হয় তখনকার নাটক।

মুক্তা সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরে আসে। শুরু হয় নতুন জীবন। আবার আগের মতো সুখ তাদের জীবনে ফিরে আসতে থাকে। দুই বছর পর এক মাস আগে-পিছে দীপের মা-বাবা মারা যান। বাবা ছিলেন ডায়াবেটিসের রোগী আর মায়ের ছিল হার্টের সমস্যা। দীপ এর কিছুদিন পরই খবর পায় এতিমখানায় তার মেয়ে বর্ষাও মারা গেছে। দীপ সবার অজান্তে মেয়ের খোঁজখবর রাখত। মা-বাবার পর মেয়ের বিয়োগ-ব্যথা সে আর সহ্য করতে পারল না। শোকে পাথর হয়ে গেল। মুক্তা জিজ্ঞেস করল, 'তোমার কী হয়েছে? তুমি এমন হয়ে গেছ কেন?' দীপ সাহস করে প্রিয়তমা স্ত্রীকে বলল, 'আমি অনেক বড় পাপ করেছি। এই পাপের আগুনে গত দুটি বছর দাউ দাউ করে জ্বলেছি। আমি আর সহ্য করতে পারছি না মুক্তা।'

মুক্তা অভয় দিয়ে বলল, 'বলো কী হয়েছে?'

তার আগে বলো, তুমি আমাকে ক্ষমা করবে?

স্বামীর হাত দুই হাতের মুঠো করে ধরে মুক্তা বলল, 'ঠিক আছে ক্ষমা করব।'

দীপ দুই বছর আগে বর্ষার মারা যাওয়ার মিথ্যা নাটকের কথা স্বীকার করল এবং বলল, 'আমাদের বর্ষা আজ মারা গেছে।' বিকেলে ওকে সমাহিত করা হবে। এমন কথা শুনে মুক্তা আর নিজেকে ঠিক রাখতে পারেনি। বাঘিনীর মতো ঝাঁপিয়ে পড়ে স্বামীর ওপর। প্রথমে স্বামীর গলা চেপে ধরে বলে, 'তুমি আমার বর্ষাকে আমার কাছ থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে পারলে?' তারপর স্বামীকে জড়িয়ে ধরে অঝোরে কাঁদতে থাকে সে। তারা বিকেলে দেখতে যায় মেয়েকে। কাকতালীয়ভাবে সেদিনও ছিল আষাঢ়ের প্রথম দিন। মুক্তার মনে আছে, দুই বছর আগে যখন বলা হয়েছিল বর্ষা মারা গেছে কিন্তু লাশ তাকে দেখতে দেওয়া হয়নি। তার স্বামী, শ্বশুর-শাশুড়ি বাদে কোনো আত্মীয়স্বজনই বর্ষার মৃতদেহ দেখেনি। হাসপাতাল থেকে অন্য একটি মৃত বাচ্চা নিয়ে কবরস্থ করা হয়েছিল। পর পর তিনটি বর্ষা চলে গেছে। আজ চতুর্থ বর্ষা এলো। মুক্তার মেয়ের জন্মদিন ও মৃত্যুবার্ষিকী একই দিনে। এই দিনটিতে সে দুটি কারণে কষ্ট পায়। অনেক কষ্টে একটি প্রতিবন্ধী শিশুর জন্ম এবং সেই মেয়েটিকে নিয়ে তার স্বামী-শ্বশুর-শাশুড়ির মিথ্যা নাটক। মুক্তা ভাবে, 'সবাই আমাকে ঠকিয়েছে। ঈশ্বর দিল এক প্রতিবন্ধী মেয়ে। সেই মেয়েকে নিয়েও নিকটাত্মীয়রা তাকে না জানিয়ে দিয়ে দিয়েছিল এতিমখানায়।'

সংসারে কাজকর্ম আর মেয়ের কথা ভাবতে ভাবতে কখন যে সন্ধ্যা হয়ে এলো টেরই পায়নি মুক্তা। কলিং বেলটা বাজতেই দরজা খুলে দেখে হাস্যোজ্জ্বল দীপ। তার হাতে দিল একটি মেয়ে শিশুর ছবি। বলল, 'এই নাও। তোমাকে নতুন বর্ষাকে এনে দিলাম। ছবিটিকে নিজের মেয়ে মনে করে বুকে আঁকড়ে ধরে মুক্তা।'

পূর্বে প্রকাশ: কালের কন্ঠ 

শনিবার, ১৪ আগস্ট, ২০২১

পবিত্র আত্মার গির্জা

ঢাকার নবাবগঞ্জের তুইতাল গ্রামে পবিত্র আত্মার গির্জার অবস্থান। এটি স্থাপিত হয় ১৯১৪ সনে। এই গির্জাটি তুইতাল ধর্মপল্লীর অধিনে। বর্তমানে এখানে পাল-পুরোহিত হিসেবে আছেন ফাদার পংকজ রড্রিক্স। খ্রিষ্টভক্তের সংখ্যা ২১০০ জনের মতো। 

পবিত্র আত্মার গির্জা, তুইতাল

সোনাবাজু সাব-সেন্টারটি এর অধীনে। এখানকার খ্রিষ্টভক্তরা শিক্ষা, ক্রিড়া, শিল্প, সাহিত্যে তুলনামূলকভাবে এগিয়ে। অনেক পরিবারের সদস্যরা বিদেশেও থাকেন। মন্ডলীর সাথে রয়েছে তাঁদের নিবিড় সম্পর্ক। 

তুইতাল ক্যাথলিক গির্জার কবরস্থানের বেদি


মন্ডলীর জন্য তাঁরা উদারভাবে দান করে থাকেন। গির্জার চত্তরে রয়েছে তুইতাল খ্রীষ্টান কো-অপারেটিভ লি:-এর দপ্তর।

 তুইতাল ধর্মপল্লীর গণ্যমান্য ব্যক্তিগণ হলেন:

১। ঢাকার আর্চবিশপ বিজয় এন ডিক্রুজ ওএমআই (তুইতাল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়া পর্যন্ত তার পরিবার গোল্লা ধর্মপল্লীতে গিয়ে বাড়ি করেন।)

২। খোকন কোড়াইয়া, সাহিত্যিক।

৩। যোসেফ শরৎ গমেজ, সাহিত্যিক।

৪। পিটার রতন কোড়াইয়া, ক্রিড়াবিদ।

তুইতাল ক্যাথলিক গির্জা অবদান রেখেছেন যারা


 

তুইতাল ক্যাথলিক গির্জার স্তৃতিফলক

 

তুইতাল ক্যাথলিক গির্জার পুকুর

তুইতাল ক্যাথলিক গির্জার মূল গেট প্রদানকারীগণ

তুইতাল ক্যাথলিক গির্জার মূল গেট

তুইতাল ক্যাথলিক গির্জা সেবা দানকারী এসএমআরএ সিস্টারদের ভবন





তুইতাল খ্রীষ্টান কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লি:


বি: দ্র: ছবি ব্যবহার করতে চাইলে এই ইমেলে অনুমতির জন্য আবেদন করতে হবে: scorraya@gmail.com 


পরলোকে দিনাজপুরের ২২টি সমবায় সমিতির প্রতিষ্ঠাতা ফাদার জুলিও বেরূর্ত্তি পিমে

দিনাজপুর ক্যাথলিক ধর্মপ্রদেশে বাইশটি সমবায় সমিতির প্রতিষ্ঠাতা ইটালিয়ান পিমে মিশনারি ফাদার জুলিও বেরূর্ত্তি আর নেই। তিনি ১১ আগস্ট রাত এগারটার দিকে অসুস্থাবস্থায় রাজধানীর একটি হাসপাতালে মারা গেছেন বলে জানিয়েছে


ন দিনাজপুরের বিশপ সেবাষ্টিয়ান টুডু। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৭ বছর।

১৯৪৩ খ্রিষ্টাব্দের ১৬ অক্টোবর ইটালির ভারেসে প্রভিন্সির বুস্টো আরসিজিও শহরে জন্ম নেওয়া ফাদার জুলিও বেরূর্ত্তি  পুরোহিত হন ১৯৭০ সনের  ২৭ জুন। পুরোহিত হওয়ার কয়েক বছর পরই তিনি বাংলাদেশে আসেন। পাল-পুরোহিত হিসেবে সেবা দিয়েছেন ধর্মপ্রদেশের মারিয়ামপুর, নিজপাড়া ও পাথরঘাটা ধর্মপল্লীতে। 

মারিয়ামপুর ধর্মপল্লীর পাল-পুরোহিত স্যামশন মারান্ডি ডিসিনিউজকে বলেন,  ফাদার বেরূর্ত্তি প্রথম পাথরঘাটা ধর্মপল্লীতে ‘পাথরঘাটা মিশন কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন’ গঠন করেন। পর্যায় ক্রমে দিনাজপুরের প্রতিটি ধর্মপল্লীতে সমবায় সমিতি গঠন করে সমবায় আন্দোলন ছড়িয়ে দিয়েছেন প্রত্যান্ত অঞ্চলে। তাঁর সমবায় আন্দোলনের মাধ্যমে উপকৃত হয়েছেন ধর্মপ্রদেশের হাজার হাজার মানুষ।’

তিনি দীর্ঘ সময় দিনাজপুর ক্যাথলিক ধর্মপ্রদেশের ক্রেডিট ইউনিয়ন ক্রার্যক্রমের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এই ধর্মপ্রদেশের ২২টি ধর্মপল্লীতে ২২টি ক্রেডিট ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠা করে তিনি ধর্মপ্রদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে অবদান রেখেছেন।

এই সমবায় সমিতিগুলোর একটি হলো মারিয়ামপুর ক্রেডিট ইউনিয়ন, যার সঞ্চয় ও শেয়ার সদস্য দশ হাজারের অধিক।

দিনাজপুর ক্যাথলিক ধর্মপ্রদেশের ক্রেডিট ইউনিয়ন ক্রার্যক্রমের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক পাউলুস হাসদা ডিসিনিউজকে বলেন, ‘ফাদার বেরূর্ত্তি যখন পাথরঘাটা ধর্মপল্লীতে প্রথম সমবায় কার্যক্রম শুরু করেন, তখন তিনি নিজে গ্রামে গ্রামে পাঁয়ে হেটে সঞ্চয় জমা নিতেন, নিজেে বই লিখতেন। সঞ্চয়ী হওয়ার জন্য খ্রিষ্টভক্তদের উৎসাহিত করতেন। সদস্যদের সমবায়ের গুরুত্ব শিক্ষা দিতেন।’


ফাদার বেরূর্ত্তি সমবায়ের বিভিন্ন কর্মশালায় অংশ নিয়ে ও বই পড়ে সমবায় আন্দোলন সম্পর্কে শিখেন। দীর্ঘ ২২ বছর ফাদার বেরূর্ত্তির সাথে কাজ করা পাউলুস হাসদা বলেন, ‘আমি দেখেছি সমবায়ীদের জন্য শিক্ষা সেমিনার আয়োজন করে তিনি নিজেও দর্শকদের সাথে বসে যেতেন। সমবায় সম্পর্কে শিক্ষা লাভ করে তা বাস্তবে কাজে লাগাতেন।’

ফাদার বেরূর্ত্তি অনুৎপাদনশীল খাতে তিনি সমবায় সমিতি থেকে কোনো ঋণ দিতেন না।  পাউলুস হাসদা বলেন, ‘ফাদার বেরূর্ত্তি বিবাহ বা অন্য কোনো সামাজিক অনুষ্ঠানে খরচ করার জন্য কোনো ঋণ সমবায় সমিতি থেকে দেন না। এই চর্চা দিনাজপুরের সমবায় সমিতিগুলো এখনো করে। আমরা বলি অনুষ্ঠানে খরচ করার জন্য আগে থেকে সঞ্চয় করার জন্য।’

তিনি জানান, দিনাজপুরে বেশির ভাগ আদিবাসী জনগোষ্ঠীর বাস। সেখানকার সমবায় সমিতির সদস্যরা মূলত ঋণ নিয়ে থাকে কৃষি কাজের জন্য, অনেকে গৃহ নির্মাণ বা মেরামত, ব্যবসায় বিনিয়োগ, গরু, ছাগল ক্রয় করার জন্য।

পাউলুস হাসদা বলেন, ‘ফাদার বেরূর্ত্তি ছিলেন একজন নীতিবান পিমে মিশনারি। তিনি ন্যায্যতার পক্ষে কথা বলতে ভয় পেতেন না। তাই সবাই তাঁকে সমীহ করতো। তাঁর কথা শুনতো। তিনি অনেক জায়গায় বিচার-শালিসে গিয়ে ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠা করেছেন।’

আধ্যাত্মিক, আর্থসামাজিক উন্নয়ন কাজের পাশাপাশি তিনি প্রশাসনিক কাজেও দক্ষ ছিলেন। বিভিন্ন সময় পরিচালক হিসেবে সেবা করেছেন দিনাজপুরের সেন্ট ভিনসেন্ট হাসপাতাল, ধানঝুড়ি কুষ্ঠ হাসপাতাল ও নভারা করিগরি বিদ্যালয়ে। এ ছাড়া ২০১৩ সনে প্রতিষ্ঠা করেছেন সেন্ট ভিনসেন্ট নার্সিং ইনস্টিটিউট যা দেশের প্রথম কোনো ক্যাথলিক নার্সিং ইনস্টিটিউট। এখান থেকে অনেক শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে এখন দেশের বিভিন্ন সুনামধন্য হাসপাতালে চাকরি করছেন।

এ ছাড়া তিনি কৃষকরা যেন আধুনিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ করতে পারে তার জন্য একটি পুস্তিকাও রচনা করেছেন।

জানা গেছে, ১৩ আগস্ট দিনাজপুর ক্যাথিড্রালে ফাদার বেরূর্ত্তি নিথর দেহ অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া শেষে সমাহিত করা হবে।

ফাদার জুলিও বেরূর্ত্তির মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন ঢাকা ক্রেডিটের প্রেসিডেন্ট পংকজ গিলবার্ট কস্তা ও সেক্রেটারি ইগ্নাসিওস হেমন্ত কোড়াইয়া। তাঁরা বলেন, ‘ ফাদার জুলিও বেরূর্ত্তির মৃত্যুতে দেশের সমবায় সমিতির বড়ো ক্ষতি হয়ে গেল। আমরা হারিয়েছি সমবায়ের একজন অভিভাবককে। তাঁর অবদানের কথা এদেশের মানুষ অনেক দিন মনে রাখবে। আমরা তাঁর বিদেহী আত্মার কল্যাণ কামনা করি। তাঁর শোকার্ত পরিবারের প্রতি জানাই গভীর সমবেদনা।’

মূল প্রতিবেদন: ডিসিনিউজ