বুধবার, ২২ জুন, ২০১১

ফেসবুক

সুমন কোড়াইয়া

কত হেমন্তের বিকেলে ধানের ক্ষেত থেকে গন্ধ
নাকে এসে লাগতো; আমরা কত শরতের
নীলাকাশের নীচে মেঠো পথে দুর্বাঘাস মাড়িয়ে
হেঁটে গেছি বাতাসের স্রোতে।
আকাশে কত মেঘ এক সাথে ছিল
আলাদা ঝরে পড়ে কৃষকের তপ্ত জমিকে শান্তি দিয়েছে।
বর্ষায় ফুটবল, শীতে ক্রিকেট খেলেছি
রঙ্গিন করে এঁকেছি কৌশরের ডায়রি
আমার স্মৃতির মানচিত্রে বার বার জ্বলে উঠে
সহস্র নক্ষত্র। চাঁদ হয়ে ভাস শুধু তুমি
পায়ের অনেক ধুলো মিশেছে পানিতে
জীভন বৃক্ষের অনেক পাতা, কাণ্ড ঝরে গেছে
এখন নিঃসঙ্গ পথিক আমি নগরের ট্রাফিক জ্যামে
লাল সবুজ বিজলি জ্বলে
এখন আমরা কম্পিউটারের সামনে বসে থাকি
নক্ষত্রগুণি, চাঁদ দেখি
বন্ধুদের খোঁজে পাই। নতুন বন্ধুও হয়
পাই তোমাকেও; কিন্তু আগের সেই ধুলি উড়িয়ে হেঁটে যাওয়ার
আনন্দ পাই না। মনে হয় কম্পিউটারের
মনিটরে ভেসে উঠা সব কৃত্রিমমুখ
দীর্ঘশ্বাসে হাহাকার করে উঠে আমার বুক।

বৃহস্পতিবার, ৯ জুন, ২০১১

বিশেষ ব্যাক্তির জন্য প্রার্থনা

গল্প

সবুজ ও সুজলার পাঁচ বছর প্রেম। শেষে বিয়ে। তাদের পছন্দ করা ও জানাশোনা আরো আগের। একই থানায় পাশাপাশি গ্রামে তাদের বাড়ি। প্রথমে তাদের প্রেমের সম্পর্ক কেউ সহজভাবে মেনে নেয়নি। শেষে সবাই মেনে নিতে এক প্রকার বাধ্য হলো। দু’জনই পড়াশোনায় ভালো। আর তাদের প্রেমের দৃঢ়তার কাছে কোন প্রতিকূলতাই পাত্তা পেল না।
Short Story written by Sumon Corraya

সবুজ পড়াশোনা শেষে গীর্জায় বিয়ে করে প্রিয়তমকে ঘরে তুললো। গ্রামে বলা যায় নজিরবিহীন প্রেমের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে তারা। এর আগে যারাই প্রেম করতে গেছে তাদের কারো প্রেম টিকেনি। বরং শুনতে হয়েছে কটু কথা।
সবুজদের বেলায়ও যে কেউ কিছু বলেনি তা নয়। তার এক কাকী তাকে প্রায়ই বলতো, সবুজ, প্রেম করে বিয়ে করো না। প্রেমের বিয়েতে সুখ হয় না।